শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে হস্তান্তর করেন।
অভিনন্দনপত্রের জন্য রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মাধ্যমে রাজার প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কমনওয়েলথের শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা দুই দেশের মধ্যকার বন্ধন আরও শক্তিশালী ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁদের ভূমিকা বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সহায়ক হচ্ছে।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি কমনওয়েলথের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।











