the-daily-dhaka-dialogue-logo
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
the-daily-dhaka-dialogue-logo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত তুর্কি হাউসে (Turkish House), ৮২১ ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা।এ সময় অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই নেতা।দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

about 11 hours ago
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) বারহাম সালেহের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এ সংকটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই।তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।আলোচনায় মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময় হয়।জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।সাক্ষাৎটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ উপলক্ষে নিউইয়র্ক সফরের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।

about 11 hours ago
রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংকটের টেকসই সমাধান এবং এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকটসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় হয়।

about 12 hours ago
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশীয় উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে রূপান্তর এবং সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেলার মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।মেলায় সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন।প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন মেলায় প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে উদ্ভাবকদের সঙ্গে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিবছর বহু সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণার সৃষ্টি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক অর্থায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে অনেক উদ্ভাবন বাণিজ্যিক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না।এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করে উদ্ভাবকদের প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ এবং উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখাই ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

Sep 12, 2026
উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকায় ২৯ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ১৪তম বিটিটিএফ, অংশ নেবে ২০টির বেশি দেশ

দেশের পর্যটন খাতের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন ১৪তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬ আগামী ২৯ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মেলার আয়োজন ও প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।তিনি জানান, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) এবারের বিটিটিএফ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ২০টির বেশি দেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইন তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনেই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকেও অংশগ্রহণকারীরা মেলায় যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বিটিটিএফ বাংলাদেশের এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের এভিয়েশন খাতের বর্তমান অগ্রগতিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশের আকাশপথের শেয়ারের ২০ থেকে ২২ শতাংশ বর্তমানে দেশের হাতে রয়েছে। এর পেছনে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভূমিকা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি না থাকলে এ শেয়ার ১০ শতাংশের নিচে নেমে যেত বলেও দাবি করেন তিনি।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে কামরুল ইসলাম জানান, শিগগিরই ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক রুটের নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টোর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের।টোয়াবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের মেলার লক্ষ্য হচ্ছে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা। একই ছাদের নিচে ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইন্স, হোটেল, পর্যটন বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিটিটিএফ ২০২৬-এ ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল থাকবে। এতে ২২০টির বেশি একজিবিটর, ২৫০-এর বেশি কোয়ালিফাইড বায়ার, প্রায় ২ হাজার ৫০০ ট্রেড ভিজিটর এবং ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে। চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টির বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নেবে।আয়োজকদের প্রত্যাশা, দেশি-বিদেশি পর্যটন অংশীজনদের সরাসরি যোগাযোগ, ব্যবসায়িক চুক্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করে বিটিটিএফ ২০২৬ বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

Sep 7, 2026
ঢাকায় ২৯ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ১৪তম বিটিটিএফ, অংশ নেবে ২০টির বেশি দেশ
সর্বাধিক আলোচিত
আরও দেখুন
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
NRB