the-daily-dhaka-dialogue-logo
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
the-daily-dhaka-dialogue-logo

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আকাজাওয়া রিয়োসেই (Akazawa Ryosei)।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) জাপানে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আকাজাওয়া রিয়োসেই বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় দেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন এবং দেশটিতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাপান সরকারের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে আলোচিত সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র এগিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।বৈঠকে জাপানি ব্যবসায়ী মহলে বাংলাদেশের প্রতি বিদ্যমান বিনিয়োগ-আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে দেশে আরও জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া—উভয়েই দুইবার করে জাপান সফর করেছেন। তাঁদের সময় থেকেই বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের বিকাশ ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে। তিনি সেই ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিতে চান।সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আকাজাওয়া রিয়োসেইকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

about 2 hours ago
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান

দেশের উন্নয়নে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রবাসী ও দেশে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে পারলে দেশে ও প্রবাসে থাকা সব বাংলাদেশিই এর সুফল ভোগ করবেন।বুধবার (২৮ অক্টোবর, ২০২৬) সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওর নিউ ওতানি হোটেলে জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য ভালো কিছু করাই সরকারের প্রথম লক্ষ্য। সবাই দেশে কিংবা বিদেশে যে অবস্থানেই থাকুন না কেন, নিজ নিজ কাজের মাধ্যমে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে।মতবিনিময় সভায় জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন। তাঁদের প্রশ্নের জবাবে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।স্কুলে জাপানিসহ তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।তারেক রহমান বলেন, জাপানিসহ জার্মান, ফরাসি ও আরও কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ রাখা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।তিনি বলেন, বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। এতে ভবিষ্যতে দেশে-বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তারা বাড়তি সুবিধা পাবে।উপজেলা হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়ে ১৫০ করার পরিকল্পনাস্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুরা যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।তিনি জানান, বর্তমানে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে শয্যা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালু এবং নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।দক্ষ জনশক্তি ও প্রবাসীদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগজাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও তিনি সরকারের পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন। বিদেশি ভাষায় দক্ষতা, মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি যোগ্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের উন্নয়নকে প্রবাসী ও দেশবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত করার প্রত্যয় উঠে আসে। তাঁর মতে, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যেক বাংলাদেশির নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

about 2 hours ago
দেশের উন্নয়নে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্যে জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর (Kataoka Susumu) সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠক শেষে জেটরো প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত উৎপাদনশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), অটোমোবাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে। এ চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে বলে আলোচনায় গুরুত্ব পায়।এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে দেশটিকে বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি জানান।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাতাওকা সুসুমুকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।সংশ্লিষ্টদের মতে, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে উৎপাদনশিল্প, প্রযুক্তি, জ্বালানি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

about 7 hours ago
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে জেটরোর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর, ২০২৬) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের অংশীদারত্ব কয়েক দশকের বন্ধুত্ব, আস্থা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে অংশীদার হতে এবং বিদ্যমান বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।তিনি বলেন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে তাঁর সরকার জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকারবাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।তারেক রহমান বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও সহনশীল, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ জন্য জাপানের সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের নেতারা দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তাঁরা।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় করা হয়েছে। দুই দেশের আলোচনার ফলাফল এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের অবদানের স্বীকৃতিবাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে জাপানের দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্যের ভিত্তিতে দুই দেশের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথম দিকের স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর অন্যতম। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।দীর্ঘস্থায়ী এই বন্ধুত্বের জন্য জাপানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করাই তাঁদের লক্ষ্য।সরকারি সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং দেশটির জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।কান্তেইয়ে গার্ড অব অনার, এরপর শীর্ষ বৈঠকএর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে তাঁরা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।জাপান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী উত্তরাধিকার রেখে যেতে পারে—এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Oct 27, 2026
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শ্রদ্ধা, সাম্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম।বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকতে হবে। কখনো কখনো গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে সমাজে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থান বজায় রাখতে হবে।তিনি বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের প্রতি সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বিজয়া দশমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজকের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে আপনাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।”অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে আগত দর্শনার্থী ও অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Oct 21, 2026
শ্রদ্ধা, সাম্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাকে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।রোববার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ, পেশাদার ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ও সক্ষম সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি কেবল অস্ত্র, সরঞ্জাম কিংবা জনবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার মধ্যে। সর্বোপরি চেইন অব কমান্ডের গুরুত্ব অপরিসীম।ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদানকে একটি ইউনিটের পেশাগত সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু একটি পতাকা নয়; বরং সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ, পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক।জাতীয় পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্জনের অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ। জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।অনুষ্ঠানে পেশাগত সাফল্য ও গৌরবময় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, কূটনৈতিক কোরের প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Oct 18, 2026
জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

শিশুদের সুন্দর, নিরাপদ ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৌঁছালে ১৫০ জন শিশু তাকে স্বাগত ও বরণ করে নেয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে আসন গ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এ সময় তিনি শিশুদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা ‘শৈশব’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।এছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি শিশুদের আঁকা ছবি ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন করে তাদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ শিশু একাডেমির শিশু জাদুঘর ভবনের নিচতলায় স্থাপিত সোলার প্যানেল ও সাব-স্টেশন উদ্বোধন করেন।বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা ও সৃজনশীল বিকাশে রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

Oct 6, 2026
শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
সর্বাধিক আলোচিত
আরও দেখুন
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
NRB