the-daily-dhaka-dialogue-logo
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
the-daily-dhaka-dialogue-logo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গত জুনে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি।আজ সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার পর বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বেলা ১১টার দিকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কের সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

in about 2 hours
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।আজ সোমবার (১০ আগস্ট, ২০২৬) সকাল ১০টায় সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।ফল প্রকাশের পর সকাল ১০টা থেকেই একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ফলাফল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।চলতি বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।এবার সারাদেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সে হিসাবে চলতি বছর পাসের হার গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে।শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানতে পারছে।

in about 2 hours
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ি আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সফরসূচি অনুযায়ী, রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়।ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং তাঁদের উৎসাহ দেন।পরিদর্শনের সময় প্রকল্প এলাকায় একটি নিমের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এতে আধুনিক আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।ব্রিফিং শেষে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে বের হন।দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং ১২টা ২৯ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।একই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও দেখানো হয়।এরপর তিনি এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ ব্যবহার সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত ও দিকনির্দেশনা দেন।পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে তিনি মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। কয়লা পরিবহন ও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত বিষয় তাঁর সামনে তুলে ধরেন।দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করেন। এ সময় তিনি দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সুফল বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।মাতারবাড়ি প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশের স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা। বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের বন্দর, সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এ বৃহৎ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

about 19 hours ago
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ এবং জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন।বৈঠক শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নির্ধারণের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমঝোতা ও নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটের পরবর্তী করণীয় নিয়েও আলোচনা হয়।বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাগপার রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

about 24 hours ago
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চাই: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে Travel, Tourism, Aviation এবং Hospitality—এই চারটি খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি।আজ শনিবার (৮ আগস্ট, ২০২৬) বিকেল ৪টায় ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত Travel and Tourism Development Center-এর Launching Ceremony-তে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে Travel, Tourism, Aviation এবং Hospitality খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আজকের এই প্ল্যাটফর্মটি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।তিনি বলেন, দেশের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়ন ও বিকাশে বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সমন্বিতভাবে এগিয়ে এসে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার নীতিগত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সমর্থন দিতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। তিনি উপস্থিত পর্যটন খাতের নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি অংশীজনদের দেশের পর্যটন উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Aug 8, 2026
জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চাই: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে আগামী পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে আধুনিক, কার্যকর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকার বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য খাতে আগামী পাঁচ বছরে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট, ২০২৬) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। সমাবেশের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সরকারের মূলনীতি হচ্ছে—‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’। এ নীতির আলোকে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালু এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই স্বাস্থ্য খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত থাকতে হবে। দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছাকৃত অবহেলা বা শৈথিল্য সরকারের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি চিকিৎসক ও সামগ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা তৈরি করতে পারে।তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে চিকিৎসকদের নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও দেশের মানুষ তাঁদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা প্রত্যাশা করে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে চিকিৎসকদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্র, দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা পেয়েছে। সেই অবস্থা থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।তিনি বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি, শাসন ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা এখনও বসে নেই। সাম্প্রতিক সময়ে একটি চক্র সুকৌশলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় সক্রিয় রয়েছে। তবে সরকার ইতিবাচক উদ্যোগের মাধ্যমে এসব পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করতে সরকার বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করছে। দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি জনগণের জন্য আরও জনবান্ধব চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।চিকিৎসকদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার চিকিৎসকদের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে না হয়—এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার ও চিকিৎসক সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন, আমরা সকলে মিলে এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আর বিদেশমুখী হতে হবে না, ইনশাআল্লাহ।”

Aug 8, 2026
স্বাস্থ্য খাতে আগামী পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামী ২০ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে আগামী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ আগস্ট।আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদ সদস্যরা ভোটার হিসেবে অংশ নেন। নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০ আগস্ট সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।

Aug 7, 2026
আগামী ২০ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি (Eng. Waleed El-Khereiji)। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন।সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমান সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি কৌশলগত, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়।তিনি বাংলাদেশে, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।জবাবে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সৌদি আরব আগ্রহী।তিনি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন এবং জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সৌদি আরব বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সি-ফুড, ট্রপিক্যাল ফুড, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী।সাক্ষাতের শেষে ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

Aug 4, 2026
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব
সর্বাধিক আলোচিত
আরও দেখুন
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
NRB