the-daily-dhaka-dialogue-logo
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
the-daily-dhaka-dialogue-logo

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর, ২০২৬) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের অংশীদারত্ব কয়েক দশকের বন্ধুত্ব, আস্থা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে অংশীদার হতে এবং বিদ্যমান বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি জাপানি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।তিনি বলেন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে তাঁর সরকার জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকারবাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।তারেক রহমান বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও সহনশীল, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ জন্য জাপানের সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের নেতারা দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তাঁরা।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি সফরকালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় করা হয়েছে। দুই দেশের আলোচনার ফলাফল এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের অবদানের স্বীকৃতিবাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে জাপানের দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্যের ভিত্তিতে দুই দেশের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথম দিকের স্বীকৃতিদানকারী দেশগুলোর অন্যতম। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।দীর্ঘস্থায়ী এই বন্ধুত্বের জন্য জাপানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করাই তাঁদের লক্ষ্য।সরকারি সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং দেশটির জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।কান্তেইয়ে গার্ড অব অনার, এরপর শীর্ষ বৈঠকএর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইয়ে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে তাঁরা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।জাপান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী উত্তরাধিকার রেখে যেতে পারে—এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Oct 27, 2026
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০৪০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণসহ সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রতি ইঞ্চি ছাদ কাজে লাগাই, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়াই’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ এক্সপোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে জনগণের ভোগান্তি সম্পর্কে সরকার সচেতন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা, বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় ও চুক্তি পর্যালোচনা, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বৃদ্ধি, জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং দ্রুত সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণে সরকার একযোগে কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি মানুষের সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সোলার এক্সপোর যৌথ আয়োজন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল)।এক্সপোতে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি সংরক্ষণ প্রযুক্তির আধুনিক উদ্ভাবন, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি তুলে ধরা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, টেকসই উন্নয়ন এবং সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিরানা মাহরুখ।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

about 3 hours ago
২০৪০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের  লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাঁকে স্বাগত জানান। পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন বিষয় ও সফরের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় তাঁরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং পারস্পরিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির (Sanae Takaichi) আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ দেশটির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন।সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই সাক্ষাতে জাপান সফরের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন অগ্রগতি তুলে ধরেন তিনি।

about 2 hours ago
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন
সর্বাধিক আলোচিত
আরও দেখুন
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
NRB