চট্টগ্রামে কারিগরি প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ লাখ ডলারের প্রকল্প গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া


চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (বিকেটিটিসি) প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ২০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রকল্প গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া।
এ লক্ষ্যে ‘Ex-Post Management Project for Enhancing the Vocational Training Program of BKTTC, Chittagong’ শীর্ষক প্রকল্পের Record of Discussion (RoD) স্বাক্ষর করেছে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (KOICA) এবং বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD)।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ঢাকায় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)-এর সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
প্রকল্পের আওতায় বিকেটিটিসি চট্টগ্রামের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ একাডেমিক ভবন ভেঙে তার স্থানে নতুন ও কাঠামোগতভাবে নিরাপদ একটি দুইতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। ভবনটির ভিত্তি এমনভাবে তৈরি করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ ছয়তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণের সুযোগ থাকে।
এ ছাড়া KOICA প্রকল্পের আওতায় স্থাপত্য ও প্রকৌশল নকশা প্রণয়ন, নির্মাণকাজের ব্যবস্থাপনা ও তদারকি এবং বিদ্যমান ভবন নিরাপদে অপসারণের জন্য কারিগরি পরামর্শ প্রদান করবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় নতুন এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত KOICA প্রায় ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে ‘Enhancing the Vocational Training Program of TTC, Chittagong’ প্রকল্পে সহায়তা করেছিল।
নতুন প্রকল্পটি আগের সহযোগিতার স্থায়িত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান প্রশিক্ষণ অবকাঠামোর কাঠামোগত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিকেটিটিসির প্রশিক্ষণার্থী ও প্রশিক্ষকদের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হবে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানসম্মত কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।
বাংলাদেশে দক্ষ কারিগরি জনশক্তি উন্নয়ন এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এ প্রকল্প আরও অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।











