ঢাকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করলো চীনা দূতাবাস


বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-এর ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (২৯ জুলাই, ২০২৬) ঢাকায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও চীনের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ প্রায় ৩০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি ও শুভানুধ্যায়ীরা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চীনা দূতাবাসের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে সিনিয়র কর্নেল দু শিনশেং। তিনি বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পিপলস লিবারেশন আর্মি চীনা বৈশিষ্ট্যের একটি শক্তিশালী আধুনিক সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পিএলএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ ও সুপ্রতিবেশী নীতিতে অটল রয়েছে চীন। নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীন অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় (China-Bangladesh Community with a Shared Future) গড়ে তুলতে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বেইজিং।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম তার বক্তব্যে পিএলএর আধুনিকায়নের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা চীনের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের বিভিন্ন অর্জনের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীনের অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায় গঠনের উদ্যোগ আগামী দিনে আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত হবে এবং দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।











