জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি


জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর, ২০২৬) বঙ্গভবনে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর করেন। শুভেচ্ছা জানানোর জন্য রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, এসব খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন ও কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় অস্ট্রেলিয়া একটি নির্ভরযোগ্য ও ধারাবাহিক অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাবে।
সাক্ষাৎকালে মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের চলমান সাংবিধানিক সংস্কারের অগ্রগতির বিষয়েও আলোচনা হয়।
দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা আরও জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।











