প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা: পররাষ্ট্র মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম


বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে ইতিবাচক ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা। সফরটি সফলভাবে আয়োজনের আগে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোববার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, এ সফরের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করা প্রয়োজন। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং ইতিবাচক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব, সমতা, জাতীয় মর্যাদা, পারস্পরিক সম্মান এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা।
তিনি বলেন, “‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি অনুসরণ করে আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।”
এদিকে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ কিছু বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে। এ বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর হলে এটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পানি সম্পদ ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নতুন করে অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
ঢাকার প্রত্যাশা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ভবিষ্যতমুখী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।











