ইনভেস্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিভাগের প্রথম সদস্য হলেন মোহাম্মদ মুনতাসির হোসাইন


ইনভেস্ট বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘মেম্বার, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন’ পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবী মোহাম্মদ মুনতাসির হোসাইন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের চুক্তিতে তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন ইনভেস্ট বাংলাদেশে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ মুনতাসির হোসাইন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজিটাল পণ্য, ব্যবসা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক নেতা। গ্রামীণফোন ও টেলিনর গ্রুপে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি পণ্য উন্নয়ন, উদ্ভাবন, নতুন ব্যবসা, বাণিজ্যিক উন্নয়ন ও সামাজিক প্রভাব সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে তিনি একাধিক বৈশ্বিক প্রযুক্তি উদ্যোগ প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি INSEAD ও London Business School থেকে নির্বাহী শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন টিম তার নেতৃত্বে বিনিয়োগকারীদের জন্য আধুনিক ও সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা গ্রহণের অভিজ্ঞতা আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নিয়োগের পর এক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ মুনতাসির হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগকে আরও সহজ, দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্য করাই তাদের মূল লক্ষ্য। বিদ্যমান ভিত্তির ওপর প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে বিভিন্ন সেবাকে আরও সমন্বিত করা, বিনিয়োগকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করা এবং তথ্যপ্রাপ্তি, প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ)-এর একীভূতকরণের মাধ্যমে ইনভেস্ট বাংলাদেশ দেশের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের মূল দায়িত্ব হলো বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সহজীকরণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করা। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ ও পুঁজি আহরণ, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করার লক্ষ্য রয়েছে।











