বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২০২৬) সকাল ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কক্সবাজারের সি-সেইফ লাইফগার্ড সার্ভিস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান Centre for Injury Prevention and Research, Bangladesh (CIPRB) এবং দাতা সংস্থা Royal National Lifeboat Institution (RNLI)-এর সঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি বলেন, পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নীতিমালার সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। তাছাড়া কক্সবাজার ও পটুয়াখালী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলথ সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজার ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককে অতি দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে লাইফগার্ড সার্ভিস প্রদানকারী কর্মীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে। লাইফগার্ড সার্ভিস প্রদান অব্যাহত রাখার স্বার্থে আপাতত সিএসআর ফান্ড সংগ্রহ করা হবে। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়, CIPRB এবং RNLI-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা Royal National Lifeboat Institution (RNLI)-এর আর্থিক সহায়তায় Centre for Injury Prevention and Research, Bangladesh (CIPRB) ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে লাইফগার্ড সার্ভিস পরিচালনা করে আসছে।











