May 17, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • নেপাল-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরদারের আহ্বান নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির

নেপাল-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরদারের আহ্বান নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

বাংলাদেশে অবস্থিত নেপাল দূতাবাস এবং বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (১৫ মে, ২০২৬) ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে “নেপাল ফেস্টিভ্যাল-২০২৬”। উৎসবে নেপালের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে আয়োজন করা হয় ‘ফুড ফেস্ট’ এবং বর্ণাঢ্য ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’-এর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বলেন, এই উৎসবের উদ্দেশ্য শুধু নেপালের সংস্কৃতি ও খাদ্য ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরা নয়, বরং নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান শিল্প, সংগীত ও খাদ্যসংস্কৃতির মিল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উদযাপন করা। তিনি বলেন, দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করছে এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ককে আরও গভীর করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এ উৎসব দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সাংস্কৃতিক ও জনগণের পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এস কে রেজাউদ্দিন আহমেদ, পোখারা একাডেমির চ্যান্সেলর পদ্ম রাজ ঢাকাল এবং বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির সভাপতি মশিউর আহমেদ।

সাংস্কৃতিক আয়োজনে মোট ১৪টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এতে পোখারা একাডেমি থেকে আগত শিল্পীরা নেপালের ঐতিহ্যবাহী সোরাঠি, সাখিয়া, লাঠি, সালাইজো ঝ্যাউরে ও কাউরা নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী এবং বাংলাদেশে অধ্যয়নরত নেপালি শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। বাংলাদেশি শিল্পীরা নেপালি নৃত্য ও গজলের পাশাপাশি লোকনৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি নিতাই রায় চৌধুরী অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে ‘ফুড ফেস্ট’-এর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। সেখানে আটটি স্টলে পরিবেশন করা হয় নেপালের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবার, যার বেশিরভাগই বাংলাদেশে অধ্যয়নরত নেপালি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয়।

উৎসবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সংস্কৃতি ও খাদ্যরসিক, গণমাধ্যমকর্মী, বাংলাদেশে বসবাসরত নেপালি কমিউনিটির সদস্য এবং নেপালপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।

Scroll to Top