বাংলাদেশের কৃষি উদ্ভাবনে এফএওর সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা এফএও প্রতিনিধি জিয়াওকুন শির


বাংলাদেশের কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, খাদ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার। গাজীপুরের ভবানীপুরে অবস্থিত এ কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি (Jiaoqun Shi)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। এ সময় কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গবেষক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এ গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার খাদ্য সংরক্ষণে পারমাণবিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ, ফসল সংগ্রহ-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও টেকসই করতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে এফএও প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এফএও জানিয়েছে, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা), আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং অন্যান্য জাতীয় অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে তারা আগ্রহী।
এ সহযোগিতার মাধ্যমে গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে কৃষকদের বাস্তব উপকারে এবং দেশের খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।











