বাংলাদেশি চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারদের বিদায় সংবর্ধনা দিলো ব্রিটিশ হাইকমিশন


যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যাত্রা করতে যাওয়া বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারদের সম্মানে বিদায়-পূর্ব সংবর্ধনার আয়োজন করেছে ব্রিটিশ হাইকমিশন, ঢাকা।
ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চলতি বছরের নির্বাচিত স্কলারদের পাশাপাশি চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারশিপের সাবেক শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ স্কলারস অ্যান্ড ফেলোস, চেভেনিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যের বৃত্তি কার্যক্রমে সহযোগী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যাত্রার আগে নতুন স্কলারদের একে অপরের সঙ্গে এবং সাবেক স্কলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করবেন। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যৎ নেতা, উদ্ভাবক ও পরিবর্তন-সৃষ্টিকারীদের নিয়ে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের অংশ হবেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এ উপলক্ষে বাংলাদেশি চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে তাদের নতুন অধ্যায়ের সূচনা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
তিনি বলেন, “এই বৃত্তিগুলো যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার দৃঢ় অংশীদারত্ব এবং শিক্ষা, নেতৃত্ব ও সুযোগের প্রতি দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। আমি আশা করি, আপনারা নিজ নিজ সম্প্রদায় ও পেশাগত ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন।”
এ বছর বাংলাদেশে চেভেনিং স্কলারশিপ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকও তৈরি হয়েছে। প্রথমবারের মতো এই কর্মসূচির অংশীদার হিসেবে এইচএসবিসি যুক্ত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি একজন বাংলাদেশি চেভেনিং স্কলারকে স্পন্সর করছে।
ব্রিটিশ সরকারের মর্যাদাপূর্ণ চেভেনিং ও কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান। এসব কর্মসূচি শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।











