বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে একমত বাংলাদেশ-চীন


বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক ও দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সম্মানে আয়োজিত এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।

লিউ হাইশিং ৩ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের অর্জন ও ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে লিউ হাইশিং বাংলাদেশে চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত তাঁর বাবা লিউ শুচিংয়ের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বাবা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
চীনের পররাষ্ট্রনীতিতে সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে লিউ হাইশিং বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে তাঁর দপ্তরের পক্ষ থেকে নিরলসভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
উভয় পক্ষ ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ সম্বলিত বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ (China-Bangladesh Community with a Shared Future in the New Era) গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় দুই দেশের রাজনৈতিক ও দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পারস্পরিক উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চীনের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।











