নীতিগত সংস্কারের কার্যকর বাস্তবায়নেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী


নীতিগত সংস্কারের কার্যকর ও ধারাবাহিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি। তিনি বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা, ধারাবাহিকতা এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত ‘Building Investors’ Confidence: From Policy Reform to Effective Implementation’ শীর্ষক ফ্ল্যাগশিপ লাঞ্চিয়নে তিনি এসব কথা বলেন।
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
অনুষ্ঠানে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ শক্তিশালী করা, নীতিগত সংস্কার বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সরকারের নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও অ্যামচেম সদস্যরা।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নিয়ন্ত্রণমূলক জটিলতা কমানো, কর ব্যবস্থার সংস্কার এবং বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে নীতির ধারাবাহিকতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তিকে টেকসই বিনিয়োগ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় রূপান্তর করতে হলে নীতিগত সংস্কারের পাশাপাশি এর কার্যকর ও ধারাবাহিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরিতে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও পূর্বানুমানযোগ্যতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগও বাড়বে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, সংস্কার কার্যক্রম এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ও নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে অ্যামচেমের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আহমদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানটি চেভরন বাংলাদেশ, এইচএসবিসি, ট্রান্সকম গ্রুপ ও ভিসার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।















