জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে স্থানীয় উদ্যোগ ও অংশীদারত্বের ওপর জোর দিচ্ছে সুইজারল্যান্ড


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে বাংলাদেশের উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ, কার্যকর নীতিমালা এবং বহুমুখী অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ও হেড অব কো-অপারেশন এলমার ডিয়েপাক (Elmer Diepak)।

জাতীয় পর্যায়ের এক কর্মশালায় সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের প্রতিনিধিত্ব করে তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা মূলত মানুষের জীবন ও কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ জন্য স্বাস্থ্য, জলবায়ু, পানি, সুশাসন এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়গুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সুইজারল্যান্ডের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল’ কর্মসূচির সহায়তায় পরিচালিত REACH উদ্যোগ জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নারী, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য এবং সুস্থতাকে প্রভাবিত করছে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরেছে।

কর্মশালায় এলমার ডিয়েপাক স্থানীয় পর্যায়ে সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণকে কার্যকর নীতিমালায় রূপান্তর, সফল কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের পরিসর বৃদ্ধি এবং আরও সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে অংশীদারত্ব জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগগুলোকে বৃহত্তর পরিসরে সম্প্রসারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।
সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের জন্য এমন স্থানীয় উদ্যোগকে সহায়তা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়িত করে, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।











