বিশ্ব পর্যটন দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পর্যটন মন্ত্রীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন


‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বের, ২০২৬) দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও পর্যটনকেন্দ্রে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য র্যালি, সাইকেল শোভাযাত্রা, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য গাইডেড সিটি ট্যুরসহ বিভিন্ন কর্মসূচি। দেশের বিভিন্ন স্থানে র্যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং স্থানীয় পর্যটন-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এসব কর্মসূচিতে দেশের সকল সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংগঠন, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবকসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের সম্মিলিত উদ্যোগ, আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের আয়োজন প্রাণবন্ত ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের জন্য সকল সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিগণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যটন খাতের অংশীজন, পেশাজীবী সংগঠন, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার, বেসরকারি খাত, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশের পর্যটনখাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ, টেকসই ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে একটি নিরাপদ, টেকসই, আধুনিক ও জনবান্ধব পর্যটনশিল্প গড়ে তুলার আহ্বান জানান মন্ত্রী। এছাড়া, বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশবাসীসহ পর্যটন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।











