বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশে পালিত বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬


‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণিল র্যালিতে দেশের বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির চিত্র ফুটে ওঠে। পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ র্যালিতে অংশ নিয়ে দেশের পর্যটন খাতের প্রতি নিজেদের আগ্রহ ও সমর্থনের কথা তুলে ধরেন।

বিভিন্ন ধর্ম, সম্প্রদায় ও পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে র্যালিটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও বর্ণিল। অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
![]() |
![]() |
দিবসটি উপলক্ষে সাইকেল র্যালিরও আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্ব পর্যটন দিবসের উদযাপনকে আরও বিস্তৃত ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
![]() |
![]() |
আয়োজনে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্যময় জীবনধারাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও প্রসারে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে পর্যটন সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ রূপান্তরের বিষয়টিকে সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকভাবে আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব।















