বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার


বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকাল ১০টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত SAIDA Shinichi।
সাক্ষাতে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় মাননীয় মন্ত্রীকে রাষ্ট্রদূত অভিনন্দন জানান। এরপর দেশের বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার। সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল-৩-এর উদ্বোধন যথাসময়ে করতে বদ্ধপরিকর। তাই যত দ্রুত সম্ভব Operational Readiness and Airport Transfer (ORAT) কার্যক্রম শুরু করা জরুরি। ইতোমধ্যে জাপানি Sub-working Group (SWG)-এর জমাকৃত প্রস্তাবের টেকনো-ফিনান্সিয়াল মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। নেগোসিয়েশন আগামী সপ্তাহে শুরু হবে।
তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য Letter of Assurance নিয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলমান রয়েছে। আশা করি, দ্রুত আমরা সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো।
মন্ত্রী জানান, দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে, যা উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। তাছাড়া বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে কাজ করতে চায় সরকার।
জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করছে সরকার। এসময় মন্ত্রী হেরিটেজ ট্যুরিজম উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন।
রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।











