May 23, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • অন্যান্য খবর
  • শান্ত-মারিয়ামে আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত

শান্ত-মারিয়ামে আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে চীন-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

‘চা গড়ে মৈত্রী, ভাষা দেয় হৃদয়ের বন্ধন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি আন্তর্জাতিক চা দিবস উদযাপন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর লি শাওপং। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ও ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শিয়ে খাংজিয়া এবং হোয়াং ওয়েনইয়্যান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস-এর চেয়ারম্যান ডা. মো. আহসানুল কবীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহ-ই-আলম, রেজিস্ট্রার ড. পাড় মশিয়ূর রহমান, শান্ত-মারিয়াম হংহো কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের চীনা পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ওয়াং লিছিয়োং এবং বাংলাদেশি পরিচালক প্রফেসর মহিউদ্দিন তাহেরসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত জ্যেষ্ঠ চীনা কূটনীতিক ও বাংলাদেশে অবস্থানরত চীনা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, মানসিক ও দৈহিক সুস্বাস্থ্যের জন্য চায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ভাষা যেমন হৃদয় ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে, তেমনি চা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। চায়ের সুগন্ধ ও ভাষার সৌন্দর্যের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ আয়োজন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

চীনা দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক চা দিবস: চীন–বাংলাদেশ চা সংস্কৃতি বিনিময় অনুষ্ঠান’ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করে শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ও শান্ত-মারিয়াম হংহো কনফুসিয়াস ক্লাসরুম। অনুষ্ঠানের সহযোগী আয়োজক ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর দুটি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।

অনুষ্ঠানে চীন ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকার চায়ের প্রদর্শনীর পাশাপাশি এসএমইউসিটির শিক্ষার্থীদের ফ্যাশন ডিজাইন, স্থাপত্য, গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া এবং চিত্রকলা বিভাগের সৃজনশীল কাজ উপস্থাপন করা হয়।

প্রতি বছর ২১ মে পালিত আন্তর্জাতিক চা দিবস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের চা সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

Scroll to Top