May 23, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • অন্যান্য খবর
  • ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তৃণমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে গ্রাম আদালত অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট বক্তারা। বুধবার (২০ মে ২০২৬) ঢাকার একটি হোটেলে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সাথে “গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে প্রচার কার্যক্রম” বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ অভিমত তুলে ধরা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মো. আবদুল জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুরাইয়া আক্তার জাহান।

সভায় “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায় প্রকল্প”-এর বর্তমান অগ্রগতি ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভূমিকা তুলে ধরে নাতিদীর্ঘ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়ক বিভাস চক্রবর্তী। এছাড়া গ্রাম আদালত আইন-২০০৬ এবং এর বিধি-বিধান নিয়ে পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার মশিউর রাহমান চৌধুরী। গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের কার্যক্রম ও প্রচার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রচার ও সমন্বয়) ডালিয়া ইয়াসমিন।

বক্তারা বলেন, অল্প সময়ে ও স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই। অনধিক ৩ লাখ টাকা মূল্যমানের ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ এখানে নিষ্পত্তি করা যায়। আইনজীবী ছাড়াই সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় এটি সহজ, কার্যকর ও জনবান্ধব একটি ব্যবস্থা।

তারা আরও বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী—সহজে ন্যায়বিচার পেতে পারে। এতে দীর্ঘসূত্রতা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের ঝুঁকিও কমে আসে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুরাইয়া আক্তার জাহান বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগে গ্রামীণ জনগণকে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আইনি সেবা দেওয়া গেলে তারা আর্থিক ও মানসিক হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে। তিনি চুরি, দাঙ্গা, প্রতারণা, পারিবারিক বিরোধ, হুমকি, নারীর অমর্যাদা, বাল্যবিবাহ ও অন্যান্য দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মো. আবদুল জলিল বলেন, জনগণকে সরকারি সেবা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন রাখতে তথ্য কর্মকর্তারা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে কার্যকরভাবে প্রচারের মাধ্যমে জনগণকে সহজে ও নামমাত্র খরচে ন্যায়বিচারের সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব। এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।

Scroll to Top