জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করেছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির


জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, সার্বিক বিবেচনায় এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘ অধিবেশন উপলক্ষে চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। পাশাপাশি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য রাখেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদাকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোয়িং কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তিটি করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনা করেই বোয়িং কেনা হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে। তবে ভবিষ্যতে দেশের এভিয়েশন খাতের সম্প্রসারণের জন্য মিশ্র বহরের প্রয়োজন রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে নতুন নতুন রুট চালু করা এবং বাংলাদেশকে একটি এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে হলে দেশের বিমান বহরে বৈচিত্র্য থাকা প্রয়োজন।











