শিক্ষায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী কানাডা


বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কানাডা। এ লক্ষ্যে দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) তারিখে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (TVET) উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য উন্নত ভবিষ্যৎ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের জন্য অধিকতর সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে—এমন সম্ভাবনাময় খাতগুলো নিয়েও আলোচনা করেন।
এ সময় কানাডার হাইকমিশনার সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া কানাডার সম্মানিত সেক্রেটারি অব স্টেট রণদীপ সারাইয়ের সফর সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে, বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে কানাডার চলমান ও ভবিষ্যৎ সহায়তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার জানান, ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ খাতে ৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কানাডা। এ সহযোগিতায় ব্র্যাক, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO), ইউসেপ বাংলাদেশ, প্রোনার্স এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোর ও তরুণ, নারী, কিশোরী এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ হাজারো মানুষের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের ও কানাডার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে যৌথভাবে বাস্তবায়নযোগ্য নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনাও তুলে ধরেন হাইকমিশনার অজিত সিং।











