July 7, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • জাতীয়
  • নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধানের লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই, ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত সমাধানযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সদস্য করে তিন সদস্যের এ উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।

সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তাঁরা জেলা পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপন, মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনায় উন্নত সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা আরও বাড়ানোরও দাবি জানান।

কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন এবং এ বিষয়ে কার্যকর সুপারিশ প্রণয়নের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।”

জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাঁদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তাঁরাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”

সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

Scroll to Top