বাংলাদেশ-সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়


বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে দুই দেশ। সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ২৩তম ওআইসি (OIC) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অসাধারণ বৈঠকের ফাঁকে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট, ২০২৬) সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচএইচ প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী এইচআরএইচ মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছে পাঠানো একটি চিঠি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সাম্প্রতিক ইতিবাচক অগ্রগতিতে উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং বিদ্যমান অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সফর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফরের কথাও উল্লেখ করেন।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সৌদি আরবের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশগুলোর অন্যতম। তিনি বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশে সৌদি কোম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মূল্যবান অবদানেরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাতে সৌদি পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ আবদুলকারিম আল-খেরেইজি, ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।











