the-daily-dhaka-dialogue-logo
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
the-daily-dhaka-dialogue-logo

লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ডেস্ক রিপোর্টঃরাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তিনটি শর্তে পুনরায় লাইসেন্স ফিরে পেয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই, ২০২৬) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুনঃতদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।গত ১৫ জুলাই তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনটি সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে।তবে হাসপাতালটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি তিনটি শর্তে দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো—দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর সব বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডিউটি চিকিৎসক ও নার্স দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।ভবিষ্যতে লাইসেন্সের কোনো শর্ত লঙ্ঘিত হলে সরকার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।এর মাধ্যমে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শর্তসাপেক্ষে আবারও কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পেল।

in about 6 hours
লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ডেস্ক রিপোর্টঃস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সংবিধান ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (২৭ জুলাই, ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর নগরীর টার্মিনাল এলাকায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যথাসময়ে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে।”বিআরডিবির নতুন বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

in about 3 hours
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

দেশের ৩৪ টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ২৬টিতে মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক রিপোর্টঃবাংলাদেশের টুথপেস্ট বাজার নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। সংস্থাটির এক বছরব্যাপী গবেষণায় দেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ৩৪টি টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের মধ্যে ২৬টিতে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি কয়েকটি জনপ্রিয় টুথপেস্টেও এ ধরনের ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত হয়েছে।রোববার (২৬ জুলাই, ২০২৬) রাজধানীর লালমাটিয়ায় এসডোর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। গবেষণায় দেশজুড়ে ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ পরিচালনার পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি এবং ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি (এফটিআইআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।গবেষণা অনুযায়ী, পরীক্ষাধীন বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামে উৎপাদিত ২টি ব্র্যান্ডের উভয়টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়ে। শিশুদের জন্য তৈরি ৬টি বিশেষ টুথপেস্টের মধ্যে ৪টিতে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরাইড জেলে। এছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট ও ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশে ১৬০টি করে, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)-তে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট ও হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারে ১০০টি করে এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।শিশুদের টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। তবে গবেষণায় কিছু ব্র্যান্ডে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড জেনফ্রেশ, প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি এবং আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ।

in about 3 hours
দেশের ৩৪ টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ২৬টিতে মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক

দীর্ঘ এক বছর পর পুনরায় চালু হলো বিমান বাংলাদেশের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট

ডেস্ক রিপোর্টঃদীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট। সরকারের প্রত্যাশা, এই রুট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার হবে।সোমবার (২৭ জুলাই) মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত ঢাকা-নারিতা রুটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি বলেন, ভবিষ্যতে এই রুট আর বন্ধ করার প্রশ্নই আসে না। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এবার রুটটি লাভজনক হবে। ইতোমধ্যে উদ্বোধনী ফ্লাইটের পাশাপাশি ফিরতি ও পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর বুকিংও সম্পন্ন হয়েছে, যা জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “আজকের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”তিনি আরও বলেন, ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।অনুষ্ঠানে বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি বলেন, জাপানে বসবাসরত প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও অভিবাসীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে এই ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় শুধু বোয়িং নয়, বিমান বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজও যুক্ত করা হবে, যাতে এই রুটের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা যায়।প্রতিমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৮০ সালে উড়োজাহাজের স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ঢাকা-নারিতা রুট চালু করেছিলেন। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সেই ফ্লাইট আবারও যাত্রীসেবার জন্য পুনরায় চালু করা হলো।অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী জাপানগামী যাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন।উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় এক বছর পর পুনরায় চালু হওয়া এই রুটের উদ্বোধনী ফ্লাইট বিজি-৩৭৬ সোমবার রাত ২টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। সরকারের আশা, এই রুট পুনরায় চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও জনসম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

in about 1 hour
দীর্ঘ এক বছর পর পুনরায় চালু হলো বিমান বাংলাদেশের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে দিকনির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্টঃপ্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, এমপির উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়ন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।সভায় জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সাউন্ড সিস্টেমের ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তর সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, কারিগরি সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে।উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, কার্যকারিতা এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের সঙ্গে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত অতিথিরা এ বিষয়ে তাঁদের মতামত প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে উন্নতমানের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়।

in 34 minutes
সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে দিকনির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নারীর ক্ষমতায়নই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

সম্পাদক, মোহাম্মদ সজীবুল-আল-রাজীবঃনারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), এমপি। তিনি বলেন, নারীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে দেশ উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। নারীকে ক্ষমতায়ন করা কেবল সমতার প্রশ্ন নয়, বরং এটি দেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার একটি কার্যকর কৌশল।রবিবার (২৬ জুলাই, ২০২৬) রাজধানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) আয়োজিত ‘জাপান–বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেট্রো ঢাকা এবং জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (জেসিআইএডি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল “Empowering Women in Business: Driving Sustainable Growth in Bangladesh through ‘Give to Gain’।”মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা এখন একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। তিনি জাপান সরকার, বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাস, জাইকা, জেট্রো এবং জেবিসিসিআই-এর দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্ব দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে এবং ভবিষ্যতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।আফরোজা খানম (রিতা) বলেন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বাংলাদেশের নারীরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন। তৈরি পোশাক শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে নারীদের অবদান দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। তবে এখনও অর্থায়ন, বাজারে প্রবেশ, নেতৃত্বের সুযোগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মতো নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যা সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।তিনি বলেন, ‘Give to Gain’ দর্শনের মূল বার্তা হলো—সুযোগ সৃষ্টি করলে উদ্ভাবন আসে, সহযোগিতা করলে সমৃদ্ধি অর্জিত হয়। নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং ব্যবসা, শিল্প এবং জাতীয় অর্থনীতিরও টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব।সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।স্বাগত বক্তব্যে জেবিসিসিআই-এর সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া (জুন) বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে উন্নয়নের একটি পার্শ্ব বিষয় হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির অন্যতম শক্তিশালী কৌশল হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, নারীদের শুধু কর্মসংস্থানে নয়, মালিকানা, নির্বাহী নেতৃত্ব, বৃহৎ পরিসরের উদ্যোক্তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারীদের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রবৃদ্ধিমুখী অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সুযোগ বাড়ায়, অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা যদি মেন্টরশিপ প্রদান করেন এবং নেতৃত্বের পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এর সুফল হিসেবে শক্তিশালী ব্যবসা, উন্নত করপোরেট সুশাসন, অধিক কর্মসংস্থান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেসিআইএডি-এর সভাপতি ইউজি ওয়াগাতা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেবিসিসিআই-এর সেক্রেটারি জেনারেল মারিয়া হাওলাদার এফসিএ এবং ইউগ্লিনা জিজি লিমিটেডের কো-সিইও শিওরি ওনিশি। এছাড়া ‘মনের বন্ধু’-এর প্রতিষ্ঠাতা তাওহিদা শিরোপা তাঁর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা তুলে ধরেন। ইউগ্লিনা কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট এবং ইউগ্লিনা জিজি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিতসুরু ইজুমোও বক্তব্য দেন।মারিয়া হাওলাদার এফসিএ-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় ব্যবসা ও নেতৃত্বে নারীদের অংশগ্রহণের পথে বিদ্যমান কাঠামোগত, আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনায় অংশ নেন এ. কাসেম অ্যান্ড কোম্পানির ম্যানেজিং পার্টনার আখতার সানজিদা কাসেম, জেট্রো ঢাকার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও জেবিসিসিআই-এর জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল কাজুইকি কাতাওকা, মারুবেনি করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার ইউরি মিয়াগাওয়া, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-এর অধ্যাপক ও ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবীন।প্যানেল আলোচনায় নারীদের অর্থায়ন, প্রযুক্তি, পেশাগত দক্ষতা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, করপোরেট ক্রয়নীতি, আনুষ্ঠানিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক, নির্বাহী ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা পর্ষদে অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি নারী-নেতৃত্বাধীন ব্যবসাকে বিনিয়োগ-উপযোগী, রপ্তানি-উপযোগী এবং জাপানসহ বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেওয়া হয়।সম্মেলন থেকে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ জোরদারে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়ন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ক্রেডিট গ্যারান্টি ও গ্রোথ ফাইন্যান্স সুবিধা চালু, সরকারি ও করপোরেট ক্রয়ে নারী-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, করপোরেট বোর্ড ও নির্বাহী পর্যায়ে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো, প্রযুক্তি ও শিল্পভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, লিঙ্গভিত্তিক তথ্যসংগ্রহ জোরদার এবং জেবিসিসিআই, জাইকা, জেট্রো, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জাপানি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণে ‘বাংলাদেশ–জাপান উইমেন এন্টারপ্রেনার্স অ্যাক্সিলারেটর’ গঠনের সুপারিশ করা হয়।জেবিসিসিআই নারী উদ্যোক্তা, করপোরেট নির্বাহী এবং বোর্ড-প্রস্তুত পেশাজীবীদের একটি যাচাইকৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে ‘জাপান–বাংলাদেশ উইমেন ইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম’ প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব দেয়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মেন্টরশিপ, ব্যবসায়িক সংযোগ, করপোরেট প্রকিউরমেন্ট, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি গ্রহণ, রপ্তানি প্রস্তুতি এবং জাপানি করপোরেট নেটওয়ার্কে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত কাজুকো ভূঁইয়া সেনসেই-এর মৃত্যুর দশম বার্ষিকীতে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া অতিথি, বক্তা, প্যানেলিস্ট এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।সমাপনী বক্তব্যে জেবিসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিরোআকি ওউরা অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-জাপান ব্যবসায়িক সহযোগিতা আরও জোরদারে সংগঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্মেলন শেষে নারী-মালিকানাধীন ব্যবসার জন্য করপোরেট সরবরাহ শৃঙ্খলে আরও বেশি সুযোগ সৃষ্টি, অর্থায়নের পরিধি বৃদ্ধি, শীর্ষ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পর্ষদে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং আরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে জাপান ও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে বাস্তবভিত্তিক ও পরিমাপযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

in 24 minutes
নারীর ক্ষমতায়নই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠনের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্টঃপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার টেকসই সমাধানে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং অংশীজনদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়নবিষয়ক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় দেশের বিভিন্ন চা বাগানের মালিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থায়নের সংকট, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এ সময় তারা চা শিল্পের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবও উপস্থাপন করেন।প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং চা শিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, চা শিল্পের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করবে। বিদ্যমান ঋণের দায় সহজীকরণ, স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের উদ্যোগ এবং চাষের অনুপযোগী জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে, যাতে চা শিল্পের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়।সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। এই কমিটি চা শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করে দ্রুত কার্যকর সুপারিশ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবে।

about 18 hours ago
চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠনের নির্দেশ

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্টঃপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। রবিবার (২৬ জুলাই, ২০২৬) সকালে ঢাকায় সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করেন এবং নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদাতবরণকারী সেনাসদস্যদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান।তিনি বলেন, একটি পেশাদার, দক্ষ ও আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে মেধা, পেশাগত যোগ্যতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এ অবদানের জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।এর আগে সেনাসদরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধন করায় সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনাবাহিনীর পরিদর্শক বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

about 19 hours ago
সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেমিকন্ডাক্টরই হতে পারে আগামীতে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্টঃপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত। এ খাতকে দেশের পরবর্তী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতোমধ্যে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) সকালে রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্ভাবনাময় পরবর্তী প্রধান এই চালিকাশক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা।”তিনি সম্মেলনটিকে কেবল একটি আয়োজন নয়, বরং আগামীর প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম কারিগরদের মিলনমেলা হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজেদের মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাদের অনেকেই নিজ উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ সামিটে অংশ নিয়েছেন, যা দেশের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের প্রেক্ষাপটে সেমিকন্ডাক্টরের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিক্স, ডেটা সেন্টার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা প্রযুক্তি, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে মহাকাশের স্যাটেলাইট—সব ক্ষেত্রেই সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ অপরিহার্য।তিনি আরও বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যেই বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ২০৩০ সালের মধ্যে এ খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।”সামিটের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬-এ শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের নেতৃত্বে ৩৫টি স্টলে সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি, ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেম এবং অন্যান্য ডিপ-টেক উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখে বিভিন্ন উদ্ভাবনের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করেন।সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Jul 25, 2026
সেমিকন্ডাক্টরই হতে পারে আগামীতে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সর্বাধিক আলোচিত
আরও দেখুন
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ
বাংলা সংবাদ