ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

২৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি নতুন সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম প্রাথমিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ তথ্য জানায় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণ এবং বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা জোরদার এবং সার্বিক ও বাস্তবমুখী সহযোগিতা গভীর করতে আগ্রহী। তিনি নতুন সরকারের সুশাসন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য, স্থিতিশীলতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতিও সমর্থন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত ঢাকাকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনা নেতৃত্বের শুভেচ্ছা বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ‘এক-চীন নীতি’র প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং বিভিন্ন খাতে সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে সম্পর্ককে আরও গভীর করতে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্ধিত সম্পৃক্ততা ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার মাধ্যমে চীন–বাংলাদেশ ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক কোঅপারেটিভ পার্টনারশিপ’-কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় ঢাকা।











