March 28, 2026

শিরোনাম

ইসলামাবাদে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করেছে। এ উপলক্ষ্যে দূতালয় প্রাঙ্গণ বর্ণাঢ্য ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।

সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান। এসময় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। এরপর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে হাইকমিশনার মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং সকল বীরাঙ্গনা ও রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন।

তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চ ১৯৭১-এর কালরাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা চালায়। এরপর গণহত্যা প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয় দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হতে হবে।

হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান ১৯৭১-এর বীর যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে মহিমান্বিত করার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে অনুষ্ঠানে ১৯৭১-এর সকল শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Scroll to Top