ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্ক:
বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী হরদীপ পুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের রাজধানীতে পৌঁছানোর পর গতকাল সন্ধ্যায় তাঁরা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শ্রী অজিত দোবালের সঙ্গেও একটি বৈঠক করেন।
আলোচনায় উভয় পক্ষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়। তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
ড. রহমান বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সদ্য নির্বাচিত বিএনপি সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি এবং পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও উভয়পক্ষীয় সুবিধার ভিত্তিতে তার পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে।

শহীদ ওসমান হাদীর সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করায় ড. রহমান ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান। দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তিতে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা এবং তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ পক্ষ তাদের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে।
আলোচনার সময় মন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, আগামী সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা, বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা সহজ করা হবে।
সম্প্রতি ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহের জন্য ড. রহমান মন্ত্রী হরদীপ পুরীকে ধন্যবাদ জানান এবং ডিজেল ও সারের সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানোর অনুরোধ করেন। মন্ত্রী পুরী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ভারত সরকার অনুরোধটি সানন্দে ও অনুকূলভাবে বিবেচনা করবে।
উভয় পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলিতে আলোচনা করতেও সম্মত হয়েছে।











