বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে উত্তেজনা ও আবেগের মাঝেই অনুষ্ঠিত হয় ছাত্র–জনতা সমাবেশ, যেখানে বিএনপিতে যোগদান করেছেন শহীদ মীর মুগ্ধের জমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (মীর স্নিগ্ধ)। রবিবার বিকেল ৪টায় শিবগঞ্জের মীর মুগ্ধ স্কয়ারে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে সমাবেশে হাজার হাজার ছাত্র ও জনতা মিছিলসহ উপস্থিত ছিলেন; সঙ্গে ছিল প্রায় ৫ শতাধিক মোটরসাইকেল বহর। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ওই আসনের বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী মীর শাহে আলম।

সমাবেশে মীর স্নিগ্ধ বলেন, ‘‘পুণ্যভূমি শিবগঞ্জের মহাস্হান থেকে প্রথম রাজনৈতিক বক্তৃতা করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। খুনী হাসিনা (রেকর্ড রাজনৈতিক টার্ম) আমার ভাইসহ দুই হাজার ভাই-বোনকে হত্যা করেছে, ২০ হাজার জনকে আহত করেছে।’’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘গুম-খুন ও জুলুম-এ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয়েছে বিএনপি।’’ মীর স্নিগ্ধ বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব দেখেছেন এবং সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভাইয়ের মৃত্যুর পরও তারা খুনী হাসিনার ব্ল্যাংক চেকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বিচার দাবি করতে থাকবেন।
মীর স্নিগ্ধ একথাও জানান যে, দেশজুড়ে মীর স্নিগ্ধ ও জুলাই যোদ্ধাসহ সকল তরুণ-যুবকদের একত্রিত করে—তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে—ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা চিরতরে বিলুপ্ত করা হবে। তিনি বলেন, ‘‘খুনি হাসিনার বিচার এ দেশে হবেই।’’

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মীর শাহে আলম বলেন, ‘‘বিএনপি জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি; শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই স্নিগ্ধ বিএনপিতে যোগ দেয়ায় সেটি আবার প্রমাণিত হলো।’’
উল্লেখ্য, শহীদ মীর মুগ্ধ পুলিশ গুলিতে নিহত হন—তিনি জুলাই যোদ্ধাদের পানি খাওয়ানোর সময় ‘পানি লাগবে পানি’ বলে ডাক দিয়েছিলেন, যা কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল। মীর মুগ্ধের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে 이날 শিবগঞ্জে বড় আকারের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।











