বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুধু একটি প্রদর্শনী নয়; এটি বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে যুক্ত করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।

আজ শনিবার (০৩ জানুয়ারি, ২০২৬) ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, এই মেলা দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদককে ভোক্তার সঙ্গে, উদ্যোক্তাকে বিনিয়োগকারীর সঙ্গে এবং বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে।


তিনি বলেন, “রপ্তানি পণ্যের উন্নয়ন, বৈচিত্র্য আনা, নতুন বাজার অন্বেষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার কৌশল তুলে ধরে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, পণ্য উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ডিসেম্বরে একই ভেন্যুতে প্রথমবারের মতো “গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৫ ঢাকা” আয়োজন করা হয়, যা দেশীয় উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সহায়ক হয়েছে।

উদ্যোক্তাদের ভূমিকা তুলে ধরে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, উদ্যোক্তারা পণ্যের গুণগত মান, উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ব্র্যান্ড ইমেজ গড়ে তোলেন। একইসঙ্গে সরাসরি ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তারা বাস্তব বাণিজ্যিক সুফল অর্জনের সুযোগ পান।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, উদ্যোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাণিজ্য মেলাকে আরও সফল করবে এবং দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এসময় তিনি ঘোষণা দেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’কে ২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট খাতের উৎপাদন ও বিপণনে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. আব্দুর রহিম খান।











