January 30, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • অস্ট্রেলিয়ার বাজারে পোশাক রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে বিজিএমইএ

অস্ট্রেলিয়ার বাজারে পোশাক রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে বিজিএমইএ

Image

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে বাংলাদেশ সরকার অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি প্রধান বাণিজ্য সহযোগী দেশের সাথে সম্ভাব্য FTA/EPA সম্পাদনের লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাণিজ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে ভবিষ্যৎ বাণিজ্য চুক্তির জন্য বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে বিশেষভাবে অস্ট্রেলিয়ার সাথে প্রস্তাবিত EPA এর ওপর আলোকপাত করা হয়। বিজিএমইএ এর পরিচালক ফয়সাল সামাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং তৈরি পোশাক খাতের পক্ষ থেকে শিল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিকোনসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হিসেবে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থান থাকা সত্ত্বেও, অস্ট্রেলিয়ার বাজারে চীনের সাথে আমাদের অংশীদারিত্বের ব্যবধানটি এখনও বিশাল এবং চ্যালেঞ্জিং। অস্ট্রেলিয়ার বাজারে চীন পোশাক আমদানির ৫৭% অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছে, যেখানে বাংলাদেশের অংশ মাত্র ১১%। তিনি বলেন, আগামী দশকে বাংলাদেশের উচিত হবে এই অংশীদারিত্ব দ্বিগুণ করার একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা, যার জন্য সরকারি নীতি সহায়তা, কূটনৈতিক কৌশল এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সাথে কৌশলগত সমন্বয়সহ সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বাজার অর্জনগুলো মূলত উদ্যোক্তাদের নিজস্ব উদ্যোগে একক প্রচেষ্টার ফল এবং এখন উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণের জন্য আরও সুসংগঠিত একটি জাতীয় পদ্ধতির প্রয়োজন, যেখানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই খাতের অভিভাবক মন্ত্রণালয় হিসেবে নেতৃত্ব দিতে পারে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বিজিএমইএ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য বাজার প্রবেশাধিকার ও FTA এর জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির জন্য সহযোগিতা করতে পারে।

আলোচনায় উঠে আসা প্রধান কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে – ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পখাত শক্তিশালী করা, তুলা আমদানির উৎসগুলোকে বৈচিত্রময় করা এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা মেটাতে ম্যান-মেড ফাইবার এবং উল-ভিত্তিক পণ্যের দিকে দ্রুত সরে আসা।

সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, এই বিষয়ে ধারাবাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং বিজিএমইএ পরবর্তী সেশনে তাদের বিস্তারিত ও সুচিন্তিত ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করবে।

Scroll to Top