বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতির পরিণতি কী হতে পারে, তা দেশের মানুষ ইতোমধ্যেই ৫ আগস্ট প্রত্যক্ষ করেছে। মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন মতবিরোধে রূপ না নেয়—সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে দেশের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমগুলোর সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যে কোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু রাখতে হবে। সমস্যা ছিল, আছে—কিন্তু আমরা ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না। তাই সবাইকে মতপার্থক্য ভুলে একযোগে কাজ করতে হবে।’

দেশে ফিরে বিভিন্ন এলাকায় সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নতুন প্রজন্মসহ সব প্রজন্মই রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও আশার বার্তা প্রত্যাশা করে। রাজনীতিবিদরা যদি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আন্তরিকভাবে কাজ করেন, তাহলে জাতিকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী। আগামী নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় আমরা জনগণের কাছে যাবো। জনগণের ভোটে রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে সমালোচনা মাথা পেতে নিয়ে জনগণের সমস্যা সমাধানে কাজ করবো।’












সভায় সাংবাদিক রেজাউল করিম রনি, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই সিকদার, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকরা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।











