বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর প্রধান কার্যালয় বিনিয়োগ ভবনে অবস্থিত বিভিন্ন সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিশুদের জন্য পেশাদার মানের ডে কেয়ার সেবা চালু করা হয়েছে।
আজ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের এর আওতাভুক্ত সংস্থা ‘লিটল ডাকলিংস’-কে এই কাজে নিয়োজিত করা হয়।

এই সেবার বিষয়ে বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান জনাব আশিক চৌধুরী বলেন: “সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিত ঢাকা আহসানিয়া মিশন একটি প্রখ্যাত ও সনামধন্য প্রতিষ্ঠান। লিটল ডাকলিংসের মাধ্যমে বিডা যে পেশাদার সেবা নিশ্চিত করতে পারছে, তা নিঃসন্দেহে আমাদের কর্মপরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করবে। নারীবান্ধব ও পরিবারবান্ধব অফিস গঠনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ — বিশেষ করে নারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য এটি একটি বাস্তব সমাধান। আমি অত্যন্ত আশাবাদী, এই উদ্যোগ বিডার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি এবং মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে খরচ কাঠামো রাখা হয়েছে অত্যন্ত নামমাত্র, যাতে সকল কর্মচারী সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা পেতে পারেন। যাদের আয় সীমিত, তাদের জন্য রয়েছে রেয়াতমূলক ফি, যাতে অভিভাবকরা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং তাদের সন্তানরা নিরাপদ ও শিক্ষনীয় পরিবেশে সময় কাটাতে পারে।”
বিডা ডে কেয়ার সেন্টারের সেবা প্রথম চালু হয় ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে। সে সময় পেশাদার পরামর্শের ভিত্তিতে একটি প্রাথমিক ডে কেয়ার সেবা চালু করা হয়। বিডা’র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ও প্রশাসনিক অনুবিভাগের তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হত। লিটল ডাকলিংস-এর পেশাদার ডে কেয়ার সেবা চালুর পর, এই সেন্টারে থাকবেন:
• একজন সুপারিনটেনডেন্ট/শিক্ষিকা
• প্রতি চারজন শিশুর জন্য থাকবে দুইজন অভিজ্ঞ কেয়ারগিভার
• থাকবে শিশুদের early learning এর সুযোগ
• শিশুর যত্ন, পুষ্টি, ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য থাকবে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ পরিবেশ
বর্তমানে বিডা ডে কেয়ার সেন্টারে প্রায় ১০-১১ জন শিশু আছে, যাদের মধ্যে বিডা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানরা রয়েছে। এই কার্যক্রমের জন্য বিডা নিজস্ব “বিডা ডে কেয়ার সেন্টার গাইডলাইন ২০২৪” প্রণয়ন করেছে, যেখানে এই সেবার কাঠামো ও মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।











