January 30, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ-তিমুর বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করার আহ্বান ড. আসিফ নজরুলের

বাংলাদেশ-তিমুর বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করার আহ্বান ড. আসিফ নজরুলের

Image

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫) ঢাকার হোটেল শেরাটনে গণপ্রজাতন্ত্রী তিমুর-লেস্তের স্বাধীনতা ঘোষণার ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনার আয়োজন করে বাংলাদেশে তিমুর-লেস্তের কনসুলেট। কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় আন্তরাষ্ট্রিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল সমাবেশে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আসিফ নজরুল, মাননীয় উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তিনি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তিমুর-লেস্তেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে বাংলাদেশ আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন জর্জ কামোয়েস, মহাসচিব, পররাষ্ট্র ও সহযোগিতা মন্ত্রণালয়, তিমুর-লেস্তে। তিনি বলেন, “ঢাকায় উপস্থিত থেকে আমাদের স্বাধীনতা ঘোষণার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করা এক গভীর সম্মানের বিষয়। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও অবিচল বিশ্বাসের পথ পেরিয়ে তিমুর-লেস্তে আজ একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে তিমুর-লেস্তের বহুমাত্রিক সহযোগিতা—শিক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য নিরসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রগুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। এছাড়া ASEAN–এ তিমুর-লেস্তের নতুন সদস্যপদ অর্জন এবং এই যাত্রায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে অধ্যয়নরত তিমুরের শিক্ষার্থীরা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করে তুলছে।

স্বাগত বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার কুতুবউদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশে তিমুর-লেস্তের কনসুল জেনারেল এবং এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “তিমুর-লেস্তের জনগণের দৃঢ়তা ও সাহস আমাদের অনুপ্রাণিত করে। দুই দেশের জনগণ মূল্যবোধে সমমনা এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রও বিস্তৃত। ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি খাতে আমাদের সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এমানুয়েল তিলমান, মহাপরিচালক, মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়া বিষয়ক বিভাগ, তিমুর-লেস্তে।

সংবর্ধনায় কেক কাটা, তিমুর-লেস্তের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং অতিথিদের মধ্যকার সৌহার্দ্যের উজ্জ্বল মুহূর্ত আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

Scroll to Top