উদ্ভাবন ও নারীর ক্ষমতায়নকে সামনে রেখে ‘শক্তিকন্যা ২০২৫’-এর তৃতীয় ব্যাচের গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে টেকসই জ্বালানি খাতে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনের প্রতিশ্রুতি নতুনভাবে আলোচনায় আসে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহায়তায় আয়োজিত এ কর্মসূচি এ বছর আরও বেশি কার্যকর, ব্যবহারিক ও ব্যবসায়ভিত্তিক সমাধানকে স্বাগত জানায়। স্মার্ট এনার্জি দক্ষতা থেকে শুরু করে কমিউনিটি-চালিত টেকসই মডেল—সব ক্ষেত্রেই তরুণী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের পথে সমন্বিত সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা, সংশ্লিষ্ট অংশীদার ও টেকসই জ্বালানি খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শক্তিকন্যা’র যাত্রাকে উদযাপন করেন। দিনের আকর্ষণীয় আয়োজন ছিল Solve-A-Thon, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব বিশ্বের জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী পিচ আইডিয়া উপস্থাপন করেন। তাদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং জলবায়ু-স্মার্ট সমাধানের প্রতি অঙ্গীকার বিচারকদের মুগ্ধ করে। বিকেলের অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি-তে সেরা পারফর্মারদের পাশাপাশি সলভ-এ-থন বিজয়ী দলগুলোকেও সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার, এবং ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটস। তাদের উপস্থিতি নারীর নেতৃত্বে বৈশ্বিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ পর্যন্ত শক্তিকন্যা’র কর্মসূচির মাধ্যমে ১০০-এর বেশি নারী প্রকৌশল ও টেকসই প্রযুক্তি খাতে দক্ষতা অর্জন করেছেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি ও পরিবেশসম্পর্কিত পেশায় তাদের অংশগ্রহণ দেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী জ্বালানি কর্মশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।











